অবাক কাণ্ড: ঢাবির পুকুরে শোল মাছের পেটে ছেলে-মেয়ের নাম লেখা তাবিজ-কবজ

আর্টিকেল: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের পুকুরে একটি শোল মাছের পেটে তাবিজ-কবজ পাওয়া গিয়েছে। এই নিয়ে ছাত্রদের মনে গুরপাক খাচ্ছে নানা প্রশ্ন। এই মাছটি কাটার সময় পেটের ভেতর আদিম যুগের লেখা একটি লিপি চিত্র খুঁজে পাওয়া যায়। যাতে একটি ছেলে ও মেয়ের নাম লেখা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে কে বা কারা শোল মাছের পেটে এই লিপি লিখে পুকুরে ছেড়ে দিয়েছে।

এনিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার নামে ফেইসবুক গ্রুপে পোস্ট দেয়া হয়েছে। এতে লিখা রয়েছে :

আমাদের (শহীদুল্লাহ) হলের পুকুরে এক ছোট ভাই একটি শোল মাছ ধরে। মছটি খুব দুর্বল ছিল এবং পুকুরে ভাসছিল। ধরার পর খুব আনন্দ চিত্তে আমি ও মাহদী হাসান শামীম রান্নার জন্য উদ্যত হই। মাছটি কাটার সময় বাঁধে বিপত্তি।

মাছটি কাটার সময় এর ভিতরে আদিম যুগের সংস্কৃত ভাষার একটি লিপি খুঁজে পাই। খুব সাবধানে এটি পাকস্থলী থেকে লিপিটি বাইরে আনি। খুলতেই খুব সৌন্দর্যমণ্ডিত একটি নকশা দেখতে পাই। সম্পূর্ণ উন্মুক্ত অবস্থায় দুই পাশে ছেলে ও মেয়ের নাম পাওয়া যায় যেটি আধুনিক বাংলায় লেখা।

আধুনিক যুগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মত উন্নত বিদ্যাপীঠ, যেটি মুক্তবুদ্ধির চর্চার একটি উন্নত চারণক্ষেত্র, সেখানেও যে আদিম সমাজ ব্যবস্থার প্রথাগত ঐতিহ্য ধারণ করা মানুষ আছে সেটি একটি বিস্ময়।

এখানে পড়াশোনা ও নানা সংস্কৃতি চর্চার পাশাপাশি তাবিজ-কবজ চর্চাও অব্যাহত রেখেছে, সেটি প্রাচীন ঐতিহ্য মনে ধারণ ও পোষণ করার পরিচয় বহন করে। আমরা ওই সকল ভাইদের সাধুবাদ জানাই কালযাদুর মত বিলুপ্ত প্রায় প্রথা আঁকড়ে ধরে বাঁচিয়ে রাখার জন্য।

আমরা উচ্ছ্বসিত, আমরা পুলকিত, আমরা আনন্দিত এরকম একটি ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হতে পেরে। এখন রান্না-বান্না চলছে। খাওয়ার পর মজনু ভাইটির জন্য মোনাজাত হবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *