বাবাকে বলেছিলেন বাসায় ফিরছি, ফিরলেন লাশ হয়ে

আর্টিকেল: ফিরতে চেয়েও বাড়ি ফেরা হলো না রাফির! শুক্রবার রাত ৮টার দিকে বাবা মনিরুজ্জামানকে মোবাইল ফোনে রাফি বলেছিলেন বাসায় ফিরছি। হাতিরঝিলে আছি। কিন্তু পৌনে এক ঘণ্টা পর ছেলের নম্বর থেকে ফোন এলো রাফি রাজধানীর খিদমাহ হাসপাতালে অচেতন অবস্থায় পড়ে আছে।

দৌড়ে গেলেন মনিরুজ্জামান। সেখান থেকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলেন রাফিকে। রাত দশটার দিকে তাকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন রাফি। নিহত ফাহিম রাফি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র ছিলেন। তার বাবা মো. মনিরুজ্জামান মোবাইল অপারেটর প্রতিষ্ঠান টেলিটকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

রাফি পরিবারের সঙ্গে ১৪ নং দক্ষিণ বাসাবোর পাঁচতলা বাড়ির তৃতীয় তলায় থাকতেন। খিদমাহ হাসপাতাল সূত্রে মনিরুজ্জামান জানতে পারেন তার ছেলে হাতিরঝিল এলাকায় বাস থেকে নামতে গিয়ে পড়ে যায়।

সেখান থেকে অচেতন অবস্থায় কে বা কারা খিদমাহ হাসপাতালে রেখে যাওয়ার সময় রাফির মোবাইল ফোন থেকে মনিরুজ্জামানকে ফোন করে আহত হওয়ার খবর দেন।

রাফির চাচাতো ভাই আজহার জানান, এমন দুর্ঘটনা কীভাবে হলো তা বুঝে উঠতে পারছি না। এদিকে রাফির মৃত্যুর বিষয়ে জানতে চাইলে খিলগাঁও থানার এসআই আতোয়ার হোসেন জানান, খিদমাহ হাসপাতালে রাফিকে কে বা কারা উদ্ধার করে রেখে যায়।

পরে ঢাকা মেডিকেলে মৃত্যু হয়েছে। পরিবার রাফির লাশ নিয়ে গেছে। কোনো ময়নাতদন্ত হয়নি। রাতে রাফি নামের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে রাফি সবার ছোট।

সূত্র: মানবজমিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *