ভবিষ্যতে জার্মানির জার্সিতে ওজিলের খেলা নিয়ে সন্দেহ

আর্টিকেল: ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপে ছিলেন নায়ক। জার্মানির শিরোপা জয়ে অবদান ছিল মেসুত ওজিলের। চার বছর পর মুদ্রার উল্টো পিঠও দেখেছেন আর্সেনালের এ মিডফিল্ডার।

রাশিয়া বিশ্বকাপ থেকে প্রথম রাউন্ডে জার্মানির বিদায়ে অনেকে ওজিলের বাজে পারফরম্যান্সকে সামনে এনেছেন। জার্মানদের কাছে তিনি এখন সবচেয়ে ঘৃণিত ব্যক্তি!

দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে হারের পর দর্শকদের দিকে লক্ষ্য করে রিস্টব্র্যান্ড ছুড়ে মারেন ওজিল। তখন সমর্থকরা আরও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। দেশে ফেরার পরও জার্মান সমর্থকদের দুয়োর শিকার হয়েছেন তিনি।

নিজের ছেলের প্রতি জার্মানিদের এমন আচরণে ক্ষুব্ধ ওজিলের বাবা মুস্তাফা। ভবিষ্যতে জার্মানির জার্সিতে তার ছেলের খেলা নিয়েও সন্দিহান মুস্তাফা। তার কথা, ওজিলের জায়গায় তিনি হলে অবসর নিয়ে নিতেন।

বিল্ড ও সনট্যাগের সঙ্গে ওজিলের বাবা বলেন, ‘আমি যদি তার (ওজিল) অবস্থায় থাকতাম, তাহলে বিদায় বলে দিতাম। সবকিছুর জন্যই এখন দায়ী সে। নয় বছর ধরে জাতীয় দলের হয়ে খেলছেন এবং একজন বিশ্বচ্যাম্পিয়নও।

যদি দল জিতত, তাহলে সবাই বলত আমরা একসঙ্গে খেলেই জিতেছি। কিন্তু এখন আমরা হারলাম, এর জন্য সবাই বলছে ওজিলের কারণেই হেরেছি। তাকে সবাই ঘৃণা করছে। বিশ্বকাপ থেকে জার্মানির বিদায়ের বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে তাকে। এটা অন্যায়।’

বিশ্বকাপের আগে লন্ডনে তুরস্কের প্রেসিডেন্টের রিসেফ তায়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে ছবি তোলেন ওজিল ও ইকান গুনডোগান। সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে টুইট করলে সমালোচিত হন ওজিল।

এই প্রসঙ্গে ওজিলের বাবা বলেন, ‘এরদোয়ানের সঙ্গে এটাই প্রথম ছবি নয় ওজিলের। আমি মনে করি তার কাছ থেকে এটা কোনো রাজনৈতিক বার্তা ছিল না। মেসুত শান্ত স্বভাবের মানুষ এবং লাজুকও। যদি এরদোয়ানের মতো ব্যক্তি ছবি তুলতে চান, কীভাবে সে তাকে নিষেধ করবে। মেসুত একজন অ্যাথলেট এবং সে ফুটবল খেলতে ভালোবাসে। সে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নয়।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *