জনগণ নয়, বিএনপিই হতাশ

জাতীয় আর্টিকেল: ‘আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণে জনগণ নয়, বিএনপিই হতাশ। আগামী জাতীয় নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়ে এখন বিএনপি নেতারা আবোল-তাবোল বকছেন।’ শনিবার ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের একথা বলেন। সংলাপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপির সাথে নির্বাচন নিয়ে সংলাপ করতে হবে কেন? সংলাপ হবে। শুধুমাত্রই সংকট হলেই সংলাপ হবে। কিন্তু এ মুহূর্তে সংলাপের কোনো প্রয়োজন দেখছি না।

সেতুমন্ত্রী বলেন, সংলাপ বিএনপির সাথেই হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। অন্য কারোর সাথেও হতে পারে। আর নির্বাচন সুষ্ঠু হলে সংলাপের প্রয়োজন কী?

তিনি বলেন, সংলাপের রাস্তা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নিজেই বন্ধ করেছেন। টেলিফোনে প্রধানমন্ত্রীর সাথে অসৌজন্য আচরণ করেছিলেন। আরাফাত রহমান কোকো মারা যাবার পর প্রধানমন্ত্রী তাকে সমবেদনা জানাতে গেলে দরজা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। এর মাধ্যমে সংলাপের পরিবেশ নষ্ট করেছিল বিএনপি। এখন তারা স্ট্যান্টবাজি করছেন। তাদের আসলে কোনো সংলাপের ইচ্ছা নেই। ক্রাইসিস পরিস্থিতি সৃষ্টি তারা জনগণকে নিয়ে করতে পারবেন না। তাদের জনগণের সমর্থন নেই। তবে কোনো অরাজকতা করলে তা জনগণকে সাথে নিয়ে কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।

আওয়ামী লীগ এ নেতা বলেন, আগুন সন্ত্রাস চালিয়ে তারা তাদের ভোট ব্যাংকের যে ক্ষতি করেছেন তার মাশুল তাদেরকে আরো অনেক দিন দিতে হবে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, একটা উন্নয়নের উদাহরণ দেখান, যেটা আপনারা করেছিলেন। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল সবই আওয়ামী লীগের অর্জন। হ্যাঁ পারবেন। আপনারা শুধু দুর্নীতি, লুটপাট, আগুন সন্ত্রাস এগুলোর উদাহরণ দিতে পারবেন।

তিনি বলেন, সরকার নির্বাচনের সময় শুধু রুটিন দায়িত্ব পালন করবে। তারা সংবিধানের আইনি অধিকারের অপব্যবহার করতে চাইছে। ওই সময় সরকার শুধু সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মওদুদ আহমেদ সাহেবের ব্যাপারে যত কম কথা বলা যায় তত ভালো। তিনি সেই আইনমন্ত্রী যিনি ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে বাড়ি দখল করে রেখেছিলেন। তিনি আইনের অপব্যবহার করেছিলেন।

মির্জা ফখরুলের সমালোচনা করে কাদের আরো বলেন, যারা আইয়ুব খানের উন্নয়নের সাথে শেখ হাসিনার উন্নয়নের তুলনা করে তারা স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির পৃষ্ঠপোষক।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবাহান গোলাপ প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *